Posts

বাংলাদেশে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে সম্ভাবনা বাড়ছে

Image
বাংলাদেশে সম্ভাবনাময় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের দোয়ার উন্মচিত হচ্ছে। বিলিয়ন ডলারের ব্যবসায়িক প্ল্যাটফর্মে কাজ করছেন সারা বিশ্বের মানুষ। বাংলাদেশেও সম্প্রতি এই নিয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে।  (প্রিয় টেক)  বাংলাদেশে সম্ভাবনাময় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের দোয়ার উন্মচিত হচ্ছে। বিলিয়ন ডলারের ব্যবসায়িক প্ল্যাটফর্মে কাজ করছেন সারা বিশ্বের মানুষ। বাংলাদেশেও সম্প্রতি এই নিয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। এসব বিষয়ে সামগ্রিক ধারণা দিতে দেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারদের নিয়েঅ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মিটআপ। শুক্রবার রাজধানীর মিরপুরে শতাধিক অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার এবং এ বিষয়ে আগ্রহীরা এতে অংশ নেন। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারদের জন্য রিসোর্স ও সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মার্কেটেভার মিটআপের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে নতুন মার্কেটারদের দিকনির্দেশনার পাশাপাশি অভিজ্ঞরা তাদের আইডিয়া এবং স্ট্র্যাটেজি শেয়ার করেন।  অনুষ্ঠানে কি-নোট উপস্থাপন করেন মার্কেটেভার প্রতিষ্ঠাতা আল-আমিন কবির। তিনি বলেন, প্যাসিভ ইনকাম মডেল হিসেবে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং খুবই জনপ্রিয়। অ্যাফিলিয়েট মার্কেট...

বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারের স্বাধীনতা কমেছে

Image
মূলত ভিন্নমত প্রকাশ করার কারণে ব্লগার হত্যা ও আইসিটি অ্যাক্টের আওতায় পুলিশি হয়রানীর কারণে বাংলাদেশের মানুষ নিজেরাই নিয়ন্ত্রিত হয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। (প্রিয় টেক)  বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেলেও স্বাধীনতায় অন্যান্য অনেক দেশের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে সরকারের কোন হস্তক্ষেপ নেই। মূলত ভিন্নমত প্রকাশ করার কারণে ব্লগার হত্যা ও আইসিটি অ্যাক্টের আওতায় পুলিশি হয়রানীর কারণে বাংলাদেশের মানুষ নিজেরাই নিয়ন্ত্রিত হয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। ‘ফ্রিডম অব দ্য নেট ২০১৫’ শীর্ষক প্রতিবেদনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক বেসরকারি পর্যবেক্ষক সংগঠন ফ্রিডম হাউস এসব তথ্য প্রকাশ করেছে। ২৯ অক্টোবর প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও এ ক্ষেত্রে মানুষের স্বাধীনতা গত ৫ বছর ধরে কমছে। ব্লগ বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিন্নমত প্রকাশকারীদের ওপর সরকারি দমনপীড়ন বেড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে ফ্রিডম হাউসের প্রতিবেদনে বলা হয়, অনলাইনে ভিন্নমত প্রকাশের কারণে চলতি বছরেই ৪জন ব্লগারকে হত...

২৬ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান যেখানে কর্মীদের গড় বেতন এক লাখ ডলারের বেশি

Image
জব হান্টিং সাইট  গ্লাসডোরের  প্রতিবেদন অনুসারে বিশ্বের বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা গড়ে ১২০,০০০ মার্কিন ডলারের বেশি বেতন ভাতা পেয়ে থাকেন। উঠতি শিল্প হিসেবে প্রযুক্তি বিশ্বের কর্মীরা যে প্রচুর বেতন পান সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু শুধুমাত্র গুগল, ফেসবুক কিংবা মাইক্রোসফটের চাকুরিজীবীরাই যে বেশি বেতন পাওয়ার তালিকায় আছে তা কিন্তু নয়। জব হান্টিং সাইট  গ্লাসডোরের  প্রতিবেদন অনুসারে বিশ্বের বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা গড়ে ১২০,০০০ মার্কিন ডলারের বেশি বেতন ভাতা পেয়ে থাকেন। বিশ্বের বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ডেটাবেজ সংগ্রহ করে একটি তালিকা প্রকাশ করে গ্লাসডোর। গ্লাসডোরের প্রতিবেদন অনুসারে এখানে ২৬টি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের  বেতন প্রাপ্তির গড়  ও রিভিউ প্রদান করা হলো। গড় বেতনে কর্মচারীদের কাছ থেকে পাওয়া বোনাসসহ সর্বমোট মাসিক আয়ের পরিসংখ্যান যুক্ত করা হয়েছে। ২৬. কোয়ালকম:  ১২১,২৪৯ মার্কিন ডলার কর্মীদের প্রদত্ত রেটিং:  ৫ এর মধ্যে ৩.৭ যা করে:  কোয়ালকম মোবাইল এবং তারবিহীন ডিভাইসের চিপ তৈরির জন্য সার...

এবার মোবাইলেও নিনটেনডো

Image
মোবাইলের জন্য গেম তৈরি করছে বিশ্বখ্যাত গেমিং কনসোল প্রতিষ্ঠান নিনটেনডো।  ছবি: সিএনএন এবার মোবাইলের জন্য গেম তৈরি করছে বিশ্বখ্যাত গেমিং কনসোল প্রতিষ্ঠান নিনটেনডো। তবে এজন্য তাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় গেমস সুপার মারিওকে বেছে না নিয়ে মিটোমো নামের একটি গেমকে নির্বাচন করেছে। বৃহস্পতিবার দেয়া এক ঘোষণায় প্রতিষ্ঠানটি জানায় মিটোমো’র মাধ্যমে নিজেরাই চরিত্র তৈরি করে খেলতে পারবেন স্মার্টফোন গ্রাহকরা। আর এজন্য তাদের অপেক্ষা করতে হবে আগামী বছর মার্চ পর্যন্ত। এর আগে ২০০৬ সালে তাদের ডব্লিউটু কনসোলের জন্য ‘মি’ (Mii) নামের একটি গেম তৈরি করে নিনটেনডো। সেই গেমটি অনেকটা সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের মতো ছিল। মিটোমোও সেই গেমটির মতোই হবে বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটি। একসময়ের অপ্রতিদ্বন্দ্বী এই কনসোল নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি অনেক দিন ধরেই তাদের বাজার হারাচ্ছে। ২০১২ যাত্রা শুরু করা তাদের ডব্লিউটু কনসোলটি এখন পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে এক কোটি যা প্রতিদ্বন্দ্বী এক্সবক্স কিংবা প্লে-স্টেশনের তুলনায় খুবই কম। আর তাই নিজেদের বাজার পুনরুদ্ধারের জন্য স্মার্টফোন অ্যাপের দিকে প্রতিষ্ঠানটি ঝুঁকছে বলেই ধারণা বিশেষ...

গুগল ক্রোমের জন্য মাইক্রোসফটের অফিস এক্সটেনশন

Image
গুগল ক্রোম ব্রাউজারের জন্য একটি এক্সটেনশন উন্মুক্ত করেছে মাইক্রোসফট। এই এক্সটেনশনটি ব্যবহার করে ওয়ান ড্রাইভে নতুন অফিস ফাইল তৈরি কিংবা অন্যান্য অফিস ফাইল ওপেন করা যাবে।  গুগল ক্রোম ব্রাউজারের জন্য একটি এক্সটেনশন উন্মুক্ত করেছে মাইক্রোসফট। এই এক্সটেনশনটি ব্যবহার করে ওয়ান ড্রাইভে নতুন অফিস ফাইল তৈরি কিংবা অন্যান্য অফিস ফাইল ওপেন করা যাবে।  উইন্ডোজ এবং ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমের জন্য তৈরি এই এক্সটেনশনটি ইতোমধ্যেই গুগল ক্রোম স্টোরে উন্মুক্ত করা হয়েছে।  মাইক্রোসফটের এই উদ্যোগ থেকে একটি বিষয় মোটামুটি পরিষ্কার। আর তা হলো জনপ্রিয় বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানটি। হোক সেই প্ল্যাটফর্ম অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের। গার্টনারের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন থেকে দেখা গেছে, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের বেশি গ্রাহক রয়েছে যেসব অঞ্চলে, সেসব অঞ্চলেও ধীরে ধীরে গুগল ক্রোমের জনপ্রিয়তা বাড়ছে।  মাইক্রোসফটের নতুন এজ ব্রাউজারে কোন এক্সটেনশন ব্যবহারের সুবিধা নেই। আগামি বছরের আগেও তেমন কোন ফিচার পাওয়ার সম্ভাবনাও নেই। 

মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বের করার গেম বানালো বাংলাদেশী গেম ডেভেলপার

Image
রাইজ আপ ল্যাবস  মস্তিষ্কের কার্যকরী ক্ষমতা নির্ধারণ করতে পারে এরূপ একটি গেম বানিয়েছে, যাতে গেমারের খেলার ধরণ ও স্কোরের মাধ্যমে দেখানো হবে তার মস্তিষ্কের নির্ভুলভাবে কাজ করার দক্ষতা শতকরা কত ভাগ। বাংলাদেশী গেম ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান রাইজ আপ ল্যাবস - মস্তিষ্কের কার্যকরী ক্ষমতা নির্ধারণ করতে পারে এরূপ একটি গেম বানিয়েছে, যাতে গেমারের খেলার ধরণ ও স্কোরের মাধ্যমে দেখানো হবে তার মস্তিষ্কের নির্ভুলভাবে কাজ করার দক্ষতা শতকরা কত ভাগ। ব্যাপারটি অসম্ভব মনে হলেও, একে সম্ভব করেই গেমটি বানানো হয়েছে বলে জানান গেমটির ডিজাইনার টিম। গেমটির নাম ‘ব্রেইন বস (Brain Boss)’; বর্তমানে গেমটি অ্যাপেল স্টোর, গুগল প্লে, অ্যামাজন ও উইন্ডোজ স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। সাধারণ গেম-প্লে ও ইউজার ইন্টারফেস নিয়ে বানানো গেমটিতে গেমারকে স্ক্রিনে দেখানো বিভিন্ন রঙের সংখ্যা থেকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সঠিক রঙের সঠিক সংখ্যাটি টাচ করতে হবে । গেমারকে মোট ৫ বার সুযোগ দেয়া হবে এর মধ্যেই গেমারকে সর্বোচ্চ স্কোরের চেষ্টা করতে হবে । প্রতিটি ভুল টাচের জন্য গেমারের সুযোগ একটি করে কমতে থাকবে । কিন্তু গেম-প্লে এর বর্ণনা শুনে সব...

আবারও হতাশ নদীপাড়ের মানুষ

Image
লাল ফিতায় বন্দী তিস্তা চুক্তি আবারও হতাশ নদীপাড়ের মানুষ তিস্তা চুক্তি সর্বমহলে আলোচনার মূল খোরাক হলেও, বছরের পর বছর তা লাল ফিতায় বন্দী। ভারত ইচ্ছামতো তিস্তাকে নিয়ন্ত্রণ করে বর্ষায় পানির গতি ছেড়ে যে উদার নীতির প্রকাশ ঘটায় তার উল্টা চিত্র দেখা যায় শুষ্ক মওসুমে। আর খরা মৌসুমে পানির অভাবে ডুকরে কেঁদে মরে এক সময়ের স্রোতস্বীনি তিস্তা। উজানে বাঁধ নির্মাণ করে ভারত তিস্তা নদীর পানি একতরফা প্রত্যাহার করায় শুকনো মৌসুমে ধু-ধু বালুচরে পরিণত হয় তিস্তা নদী। আবার বর্ষাকালে পানি ছেড়ে দেয়ায় পানির তোড়ে গ্রামের পর গ্রাম বিলীন হয়ে যায় সর্বগ্রাসী তিস্তার গর্ভে। খরা মৌসুমে নদীতে পানি না থাকায় এই পরিস্থিতি হয় আরও ভয়াবহ। তিস্তা নদীর কোল ঘেঁষা নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পশ্চিম বাইশপুকুর গ্রামের কৃষক আবু সাঈদ (৪০) জানান, বর্ষা মৌসুমে পানির প্রয়োজন হয় না নদীতে। তারপরেও ভারত সরকার প্রচুর পানি ছাড়ে, এতে  আমাদের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ওই পানিতে তলিয়ে যায় গ্রামের পর গ্রাম। কিন্তু খরার সময় একটুও পানিও ছাড়ে না ভারত। তখন আমাদের প্রচন্ড কষ্ট করতে হয়। পানির জন্য হাহাকার শুরু হয়। যদি দুই দেশের আলোচনা করে পানি ছ...